বিয়ের কত দিনের মধ্যে বাচ্চা নেওয়া উচিত ? জেনে নিন ডাক্তারি পরামর্শ

অনেক সময় নিজেদের ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতের চিন্তা থেকে বাচ্চা নিতে বেশি দেরি করলে তা সন্তান না হওয়ার পেছনে কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে তাই বিয়ের কত দিনের মধ্যে বাচ্চা নেওয়া উচিত ও কিছু পরামর্শ জেনে নিন

বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই মেয়েদের যে কথাটি শুনতে হয় সেটি হচ্ছে , সন্তান নিচ্ছেন কবে? বিয়ের মাধ্যমে নারীর সম্পূর্ণ ভিন্ন এক জগতে প্রবেশ । নতুন এই পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানোর আগেই যেন তাকে নতুন আরেক পরিবেশে প্রবেশের আমন্ত্রণ জানানো হয় । প্রতিটি নারীর জীবনে বিয়ের চেয়েও সন্তান নেওয়ার মধ্যদিয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয় । সন্তান নেওয়ার আগে প্রত্যেক নারীর শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ প্রয়োজন । অল্পবয়সে সন্তান নিতে গিয়ে অনেক নারীকেই অকালে প্রাণ হারাতে হয় । অনেক সময় নিজেদের ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যতের চিন্তা থেকে বাচ্চা নিতে বেশি দেরি করলে তা সন্তান না হওয়ার পেছনে কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে । চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক বিয়ের কত দিন পর সন্তান নেওয়া উত্তম!

বিয়ের কত দিন পর সন্তান নেওয়া উত্তম

বিয়ের কত দিন পর সন্তান নেওয়া উত্তম?

একটা সময় পর্যন্ত মনে করা হত , মেয়েদের ২০ বছরের মধ্যেই প্রথমবার সন্তানধারণ করা উচিত । কিন্তু সময় বদলাচ্ছে । আর সেই বদলানো সময়ে চিকিৎসকরা মনে করছেন , ২০ বছর নয় , বরং আরও একটু দেরি করে মা হওয়াই নিরাপদ । সেটা যেমন মায়ের জন্য ভালো , তেমনই সন্তানের জন্যও নিরাপদ । তবে খুব বেশি দেরি না করাই মঙ্গল । কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের জননক্ষমতা কমে যেতে থাকে এবং গর্ভকালীন নানা জটিলতার সম্ভাবনাও বেড়ে যায় । তাই , চেষ্টা থাকা উচিত , যাতে ৩০ পার হওয়ার আগেই অন্তত প্রথমবার গর্ভধারণ করা যায় ।
সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে , ৩০ পেরিয়ে গেলে প্রজনন ক্ষমতা ৫০ শতাংশ কমে যায় এবং বয়স ৩৫ অতিক্রম করলে এই হার কমে যায় আরও ৩০ শতাংশ । তবে একটি সন্তান জন্ম নেওয়ার পরে এই ঝুঁকি কমে যায় ।

আরো পড়ুনঃ 


তিরিশের পরে সন্তানের জন্ম দিলে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে । দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলেও প্রজনন ক্ষমতা কমে যায় । তাই সতর্ক থাকা দরকার । চিকিৎসকদের বক্তব্য , ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই মেয়েদের প্রথমবার মা হওয়ার জন্য আদর্শ সময় । আগে বা পরে হলেই বিপদের ভয় । দেরি করে সন্তান নিলে , চর্বি জমে ফ্যালোপাইন টিউব বন্ধ হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে । দীর্ঘমেয়াদি জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিটি ব্যবহারের ফলে প্রজনন ক্ষমতা কমে যায় ।